Posts

Mystery of mankind!

এই মসজিদ, মন্দির কি অপূর্ব জায়গা ?এখানে গরীব মানুষ বাইরে আর ধনী ব্যক্তি ভিতরে ভিক্ষা চায় !!! বিচিত্র এই দুনিয়ার কঠিন সত্য !! বরযাত্রার সময় বর সবার পিছনে থাকে,,,আর সমস্ত মানুষ আগে আগে যায় !! কবরযাত্রায় মৃতদেহ সবার আগে থাকে ! আর মানুষজন পিছনে !! সমস্ত দুনিয়া সুখের দিনে আগে থাকে আর দুঃখের দিনে পিছনে !!অপূর্ব তুমি স্রষ্টা! আর অদ্ভুত তোমার লীলা !! মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষ কে স্মরণ করা হয় !!মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয় !! সারাটা জীবন বোঝা বোইলো দেওয়ালের পেরেক টা ! আর মানুষ সুনাম করল পেরেকে টাঙ্গানো ছবিটার !! যে নুনের মতো তিতকুটে জ্ঞান দেয়,সেই আসল বন্ধু হয় !মিষ্টি কথার আড়ালে থাকে চতুর অভিসন্ধির ভয় !! ইতিহাস সাক্ষী আছে আজ পর্যন্ত নুনে কখনোই পোকা ধরেনি !!আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ! পিঁপড়েরাও ছাড়েনি !! সঠিক পথে মানুষ চলতেই চায়না ! আর বাঁকা পথে সবাই যেতে চায় !! এই কারণেই মদ বিক্রেতা কে কোথাও যেতে হয়না ! দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায়,লোকের দরজায় দরজায় যেতে হয় !! আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি জল মেশাননিত !! আর মদ নিজে হাতে জল মিশিয়ে খাই !! একই...

আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি? Why i have killed Gandi? || In Bengali

সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয় মাননীয় নাথুরাম গোডসের ভাষন — আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি । 60 বছর এটা নিষেধ ছিল! আপনারা সকলেই জানেন — 30 শে জানুয়ারী, 1948 গোডসে গুলি মেরে গান্ধীজীর হত্যা করেছিলেন। গুলি মেরে উনি ঘটনা স্হল থেকে পালিয়ে যান নি! উনি আত্মসমর্পণ করলেন! গোডসের সঙ্গে আরও 17 জনের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হল। মামলা চলাকালীন প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয় যাতে নাথুরাম গোডসে তাঁর বক্তব্য রাখতে পারেন। অনুমতি ত মিলল কিন্তু শর্ত সাপেক্ষ! সরকারের নির্দেশ অনুসারে কোর্টের বাইরে যাওয়া চলবে না। পরে ওনার ছোট ভাই গোপাল গোডসে দীর্ঘদিন মামলা চালানোর পর —- প্রায় 60 বছর পর অনুমতি পাওয়া যায় সর্ব সমক্ষে রাখার। 1. নাথুরাম ভাবতেন — গান্ধীজির অহিংসা ও মুসলিম তোষণ নীতি হিন্দুদের কাপুরুষে রূপান্তরিত করে দিচ্ছে। কানপুরে গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থীকে মুসলিমরা নির্মম ভাবে হত্যা করে। আর যে গণেশজী গান্ধীজির ভাব ধারায় প্রভাবিত ছিলেন —- তাঁর হত্যাকান্ডে গান্ধীজি চুপ রইলেন! 2. 1919 এর জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকান্ডে সমস্ত আক্রোশে ফুঁসছিল। এই নৃশংস হত্যাকারী খলনায়ক জেনারেল ডায়ারের বিরু...

পাপ কত প্রকার আর নরক কত প্রকার ?

♥শুকদেব_গোস্বামীকে পরিক্ষিৎ মহারাজ, নম্রতা ভাবে জিজ্ঞাসা করেন হে প্রভু,পাপ কত প্রকার আর নরক কত প্রকার ? ♥ ♥তখন শুকদেব গোস্বামী ২৮ প্রকার নরকের কথা বর্ণনা করেছেন।♥ শ্রীমদ্ভাগবতে ২৮ টি নরকের বর্ণনা রয়েছে। নিম্নে সেই নরক যন্ত্রণার বিবরণ দেওয়া হল- . ১ তামিস্র: যে ব্যক্তি অপরের ধন, স্ত্রী ও পুত্র অপহরণ করে, অত্যন্ত ভয়ঙ্কর যমদূতেরা তাকে কালপাশে বেঁধে বলপূর্বক তামিস্র নরকে নিক্ষেপ করে। এই তামিস্র নরক ঘোর অন্ধকারে আচ্ছন্ন; সেখানে যমদূতেরা পাপীকে ভীষণভাবে প্রহার, তাড়ন এবং তর্জন করে। সেখানে তাকে অনশনে রাখা হয় এবং জল পান করতে দেওয়া হয় না। এইভাবে ক্রুদ্ধ যমদূতদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে সে মূর্ছিত হয়। . ২ অন্ধতামিস্র: যে ব্যক্তি পতিকে বঞ্চনা করে তার স্ত্রী-পুত্র উপভোগ করে, সে অন্ধতামিস্র নরকে পতিত হয়। বৃক্ষকে ভূপাতিত করার পূর্বে যেমন তার মূল ছেদন করা হয়, তেমনই সেই পাপীকে ঐ নরকে নিক্ষেপ করার পূর্বে যমদূতেরা নানা প্রকার যন্ত্রণা প্রদান করে। এই যন্ত্রণা এতই প্রচণ্ড যে, তার ফলে তার বুদ্ধি এবং দৃষ্টি নষ্ট হয়ে যায়। . ৩ রৌরব: যে ব্যক্তি তার জড় দেহটিকে তার স্বরূপ বলে মনে করে, তার নিজের দেহ এবং দেহের সম...

জমির খতিয়ান কি কত প্রকার ও কি কি?

জমির খতিয়ান কি কত প্রকার ও কি কি? খতিয়ান কি? ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে খতিয়ান মানে জাবেদা থেকে হিসাব সমূহকে শ্রেণী বিন্যাস করণ। তবে জায়গা জমির ক্ষেত্রে খতিয়ান অর্থ হইল ‘হিসাব’। মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। খতিয়ান কত প্রকার ও কি কি: - বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরণের খতিয়ান রয়েছে। যথা- ১. সি. এস খতিয়ান ২. এস. এ খতিয়ান ৩. আর. এস খতিয়ান ৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ বিস্তারিতঃ ১. সি. এস খতিয়ানঃ ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত। ২. এস. এ খতিয়ানঃ পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে। ৩. আর. এস খতিয়ানঃ বাংলাদেশ...

How much blessed i am!!

তিন হাজার স্কয়ার ফিটের নতুন ফ্ল্যাটটা ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলেন মামা । আমার পিছন পিছন হেঁটে হেঁটে একেক রুমের ইন্টেরিয়র ডিজাইন আঙুল উঁচিয়ে দেখাচ্ছিলেন মামী । শেষে ড্রইংরুম বসে মামীকে বললাম ‘বাসাটা কত্ত সুন্দর ! জবাবে মামী বললেন ‘বাসাটা ছোট্ট, পাঁচ হাজার স্কয়ার হইলে ভাল হইতো, কিচেনের ডিজাইনটা মন মত হয় নাই ।’ এভাবে একটার পর অভাব বলেই চললো । বাসাটাতে আমার তখন দম বন্ধ হয়ে আসছিল । নীচে যখন নামলাম তখন লোড শেডিং, শহুরে অন্ধকারে পিচ ঢালা পথটা অদ্ভুত সুন্দর লাগছিল পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় । মানুষের অতৃপ্ত মন তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল আমায় ‘অথচ এরকম একটা বাসা এ শহুরে কত মানুষ স্বপ্নেও ভাবতে সাহস পায় না। বিশাল প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান স্যারের চেম্বারে বসে লম্বা মিটিং শেষে গল্প করছিলাম । স্যারই আমাদের ছাড়তে চাইছিলেন না । তার উঠে আসার গল্প বলতে গিয়ে কেমন ইমোশনাল হয়ে গেলেন । আজ এত কিছু পেয়েও তার বুক ভরা কষ্ট, এত্ত আদরের একমাত্র মেয়েটার সংসারটা ভেঙে গেছে । চার বছরের নাতী সহ মেয়েটা তার সাথেই থাকে। এত বেশী কষ্ট পেয়েছে, ওর আর বিয়েই করবে না । পাঁচ জনে ঠাসা পুরো রুমটা নিস্তব্ধ তখন । স্যারকে টিস্যু এগিয়ে দিতে গিয়ে কি মনে ক...

ঘুরে আসুন শান্তির দেশ ভূটান

ঘুরে আসুন শান্তির দেশ ভূটান: ট্যুর প্ল্যানঃ ৪ জনের ভ্রমণ সময়ঃ অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ ভ্রমণ স্থায়িত্বঃ ৭ দিন, ৮ রাত ( আমি আমাদের ট্যুরপ্ল্যান আর খরচ নিয়ে বলব, তারপর দিন সংখ্যা কমালে কীভাবে প্ল্যান আর খরচ চেঞ্জ হবে সে ব্যাপারেও আইডিয়া দিব ) প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ পাসপোর্ট, বাই রোডে গেলে ইন্ডিয়ার ট্রানজিট ভিসা (পোর্টঃ চাংড়াবান্দা/জয়গাঁও), ট্রাভেল ট্যাক্স। তাহলে শুরু করা যাক প্রথমে প্ল্যান নিয়ে, এরপর খরচাপাতি হিসেব করছি। ট্যুরপ্ল্যানঃ Day-1 আমরা রাতের বাসে (পিংকি পরিবহন এসি) ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করি। সকালে বুড়িমারি পৌঁছাই প্রায় সকাল ৯টা নাগাদ। এরপর চ্যাংড়াবান্দা/বুড়িমারি বর্ডারে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে বর্ডারেই টাকা আর ডলার এক্সচেঞ্জ করে রূপিতে কনভার্ট করে নেই। পুরো ভূটানেই রূপি চলে সুতরাং এরপর আর টাকা ভাংগানো লাগবে না তবে ২০০০ রূপির নোটগুলা অনেক জায়গায় নেয় না তাই চেষ্টা করবেন ২০০০ রূপির নোটগুলি না নিতে। আমরা গিয়েছিলাম দুর্গা পূজোর ছুটিতে তাই বর্ডারে ভালোই ভীড় পেয়েছিলাম তাই একটু সময় বেশিই লেগেছিল। এরপর চ্যাংড়াবান্দা থেকে জয়গাঁও বর্ডারে যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি নেই। প্রায় তিন ঘন্টায় আমরা জয়...

Onion crisis in Bangladesh!!!

পেঁয়াজ প্রসঙ্গ: বাংলাদেশে সরকারি পরিসংখ্যান কতটুকু নির্ভরযোগ্য? সরকারী পরিসংখ্যান মতে এ বছর বাংলাদেশে পেঁয়াজের চাহিদা সর্বমোট ২৪ লাখ মেট্রিক টন। সরকারের হিসাব মতে, এ বছরে সারা বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩.৩০ মেট্রিক লাখ টন। উপরের তথ্য পর্যালোচনা করলে মাত্র ৪% অর্থাৎ ছিয়ানব্বই হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন ছিলো। অথচ সরকারি হিসাব মতে এরমধ্যেই এই বছরে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১১ লাখ টন, মানে সর্বমোট আমদানি চাহিদার ১১ গুনেরও বেশী। এখন প্রশ্ন হলো মাত্র ৪% আমদানি নির্ভরশীল একটা পণ্যের মূল্য যাইহোক না কেন, সেই পণ্যের মূল্য প্রায় ১০ গুন দাম বাড়ে বাড়তি মূল্যে কি কারনে বাজারে বিক্রি হচ্ছে? অবাক করা ব্যাপার হল, এ পর্যন্ত যে পরিমাণে আমদানি হয়েছে তাতে ১০ লাখ টন উদ্বৃত্তে বাজার ভেসে যাওয়ার কথা। ভারতের মহারাষ্ট্রে কৃষকের কান্নার ভিডিও ফুটেজ গতকালই পোস্ট করেছি। বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ হওয়ার কারনে এবং এ বছর পেঁয়াজের ফলন বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে মাত্র আট রূপি বা বাংলাদেশী নয় টাকা চৌচল্লিশ পয়সা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা। ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি কারকরা হঠাৎই বাংলাদেশের পেঁ...